
প্রতিনিধি 27 January 2026 , 12:45:59 প্রিন্ট সংস্করণ

চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডের জঙ্গল সলিমপুরে র্যাব কর্মকর্তা ডিএডি মো. মোতালেব হোসেন ভূঁইয়া হত্যা মামলার এজাহারনামীয় আসামি মো. মিজান এবং সন্দেহভাজন মো. মামুন (৩৮) নামে দুইজনকে গ্রেপ্তার করেছে র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব)। এ মামলায় এখন পর্যন্ত সাতজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
সোমবার (২৬ জানুয়ারি) ও রবিবার চট্টগ্রাম মহানগরীর খুলশী এবং বায়েজিদ বোস্তামী থানা এলাকায় পৃথক অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।
র্যাব-৭-এর সহকারী পরিচালক (মিডিয়া) পক্ষে অধিনায়ক এ. আর. এম. মোজাফ্ফর হোসেন এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
র্যাব জানায়, মো. মিজান (১৬ নম্বর এজাহারনামীয়) চাঁদপুর জেলার শাহরাস্তি থানার নরুমপুর এলাকার বাসিন্দা। অপরজন মো. মামুন (সন্দেহভাজন) সন্দ্বীপ থানার কালাভানিয়া এলাকার বাসিন্দা। মিজানকে ২৫ জানুয়ারি খুলশী থানার ইস্পাহানি মোড় থেকে এবং মামুনকে ২৬ জানুয়ারি ভোরে বায়েজিদ বোস্তামী থানার বগুড়া নিবাস এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়।

এ ঘটনায় র্যাব-৭-এর এক ডিএডি কর্মকর্তা বাদী হয়ে সীতাকুণ্ড থানায় হত্যা মামলা করেন। মামলায় ২৯ জনকে এজাহারনামীয় এবং ১৫০-২০০ জনকে অজ্ঞাত আসামি করা হয়।
র্যাবের প্রেস বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, গত ১৯ জানুয়ারি জঙ্গল সলিমপুর এলাকায় অস্ত্রধারী সন্ত্রাসীদের গ্রেপ্তারের জন্য অভিযান চালায় র্যাব-৭। এ সময় দুষ্কৃতকারীরা হামলা চালালে চার র্যাব সদস্য গুরুতর আহত হন। পরে তাদের উদ্ধার করে চট্টগ্রাম সিএমএইচে নেওয়া হয়। সেখানকার চিকিৎসক একজন র্যাব সদস্যকে মৃত ঘোষণা করেন। এ ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয় এবং বিষয়টি গণমাধ্যমে গুরুত্বসহকারে প্রচারিত হয়।
র্যাবের সহকারী পরিচালক (মিডিয়া) এ. আর. এম. মোজাফ্ফর হোসেন জানান, গ্রেপ্তার আসামিদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য তাদের সীতাকুণ্ড থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
সীতাকুণ্ড মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মহিনুল ইসলাম আটকের বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, জঙ্গল সলিমপুরে র্যাব হত্যা মামলার ঘটনায় পৃথক অভিযানে আটক দুই আসামিকে জেল হাজতে পাঠানো হয়েছে।