
প্রতিনিধি 25 January 2026 , 7:09:42 প্রিন্ট সংস্করণ

লালমনিরহাটের হাতীবান্ধা উপজেলায় নির্বাচনী প্রচারণা ও গণসংযোগকে কেন্দ্র করে বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামীর সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে উভয় পক্ষের অন্তত ২০ নেতা-কর্মী আহত হয়েছেন। এ ঘটনায় উভয় দল একে অপরকে দায়ী করেছে। রোববার (২৫ জানুয়ারি) বিকেলে উপজেলার টংভাঙ্গা ইউনিয়নের ২ নং ওয়ার্ডের মেডিকেল মোড় সংলগ্ন কসাইটারী এলাকায় এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।
জেলা পুলিশ সুপার আসাদুজ্জামান জানান, ‘বিএনপি ও জামায়েত ইসলামের প্রার্থীদের সমর্থকের মধ্যে প্রচার প্রচারণার সময় দুই পক্ষের সংঘর্ষ তৈরি হয় বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন। পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। যেহেতু নির্বাচন আচরণবিধির মধ্যে এটি পড়ে, আমরা ব্যবস্থা গ্রহণ করব’।

স্থানীয় ও দলীয় সূত্রে জানা যায়, রোববার বিকেলে ওই এলাকায় দুই প্রার্থীর সমর্থকদের গণসংযোগ চলাকালে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে, যা একপর্যায়ে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষে রূপ নেয়। জানা যায়, ঢংভাঙ্গা ইউনিয়ন জামায়াত নেতা ও সাবেক চেয়ারম্যান হাবিবুর রহমান সাতার স্ত্রী সহ কয়েকজন জামায়াতের মহিলা কর্মী অই এলাকায় ভোটের প্রচারণার কাজ করছিলো। এসময় এক বিএনপি সমর্থকের বাড়িতে ভোট চাইতে গেলে দুয়েক কথায় কথা কাটাকাটি শুরু হয়। এক পর্যায়ে ওই নারীদের লাঞ্চিত করা হয় বলে অভিযোগ জামায়াতের।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী আনোয়ারুল ইসলাম রাজু মুঠোফোনে বলেন, ‘সেখানে কী বিষয় নিয়ে সংঘর্ষ লেগেছে আমি জানি না। কতজন আহত সেটাও বলতে পারব না। অপরদিকে, সংঘর্ষের বিষয়ে জানতে বিএনপি প্রার্থী হাসান রাজীব প্রধানের মুঠোফোনে একাধিকবার কল করা হলেও তিনি রিসিভ করেননি।
উল্লেখ্য, লালমনিরহাট-১ (পাটগ্রাম ও হাতীবান্ধা) আসনে ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে নির্বাচন করছেন, বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য হাসান রাজীব প্রধান। অন্যদিকে, একই আসনে দাঁড়িপাল্লা প্রতীক নিয়ে লড়ছেন, জামায়াতের কেন্দ্রীয় কমিটির শিল্প ও বাণিজ্য বিষয়ক ভাইস প্রেসিডেন্ট আনোয়ারুল ইসলাম রাজু।