• রাজনীতি

    ঢাকা-১৬ আসনে বিএনপি প্রার্থী আমিনুল হক

      প্রতিনিধি 19 January 2026 , 7:41:04 প্রিন্ট সংস্করণ

    ছবি: ক্যাপ্টেন্স টিভি
    ছবি: ক্যাপ্টেন্স টিভি
    বিজ্ঞাপন
    Main Banner Ads For Captains TV

    আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকা-১৬ আসন থেকে নির্বাচন করবেন সাবেক ফুটবলার আমিনুল হক, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) কেন্দ্রীয় কমিটির ক্রীড়া সম্পাদক এবং বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল ঢাকা উত্তরের আহ্বায়ক।

    ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের ঢাকা-১৬ আসনটি ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের ২, ৩, ৫ ও ৬ নং ওয়ার্ড (পল্লবী ও রুপনগর) নিয়ে গঠিত। বাংলাদেশের জাতীয় সংসদের ৩০০টি নির্বাচনী এলাকার একটি। এটি ঢাকা শহরে অবস্থিত জাতীয় সংসদের ১৮৯নং আসন।

    বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্বকারী সর্বশ্রেষ্ঠ গোলরক্ষক আমিনুল হক। বাংলাদেশ জাতীয় দলের প্রাক্তন কোচ গিওর্গি কোটানের মতে, আমিনুল তার দেখা সেরা গোলরক্ষকদের একজন। আমিনুলের অবস্থানগত বোধ এবং খেলা বোঝার ক্ষমতা তাকে দক্ষিণ এশিয়ার ফুটবল ইতিহাসের অন্যতম সেরা গোলরক্ষক করে তুলেছে।

    সাবেক পেশাদার ফুঠবলার আমিনুল হকের বাবা মোহাম্মদ এমরান এবং মা মনওয়ারা বেগম। তিন ভাইয়ের মধ্যে তিনি সবার ছোট। তার ভাই মইনুল হক, যিনি তার চেয়ে দশ বছরের বড়, তিনিও ঢাকা প্রিমিয়ার ডিভিশন ফুটবল লীগে খেলেছেন। ১৯৮০ সালের ৫ অক্টোবর ভোলায় জন্মগ্রহণকারী আমিনুল তার শৈশবের বেশিরভাগ সময় ঢাকায় কাটিয়েছেন। তার স্ত্রী বিলকিস আরা নিপা একজন সফল ব্যাবসায়ী। দাম্পত্য জীবনে তাদের দুই কন্যা (আমরিন হক ইয়ানা,আলাইনা হক ইশানা) ও এক পুত্র (আবরার হক আয়ান) ।

    চতুর্থ শ্রেণীতে পড়ার সময়, আমিনুল কোচ ইমতিয়াজের অধীনে এমএসপিসিসি সিটি ক্লাবে প্রশিক্ষণ শুরু করেন। মিরপুরের আলুবদী গ্রামে একটি স্থানীয় টুর্নামেন্টে সিটি ক্লাবের জুনিয়র দলের হয়ে খেলার সময়, আমিনুল তার পারফর্মেন্সের জন্য ১৫০ টাকা পেয়েছিলেন। ১৯৯৩ সালে, তিনি সিটি ক্লাবের সাথে পাইওনিয়ার ফুটবল লীগে অংশগ্রহণ করেন এবং লীগের প্রথম পর্বে টানা নয়টি ক্লিনশিট ধরে রাখতে সক্ষম হন।

    ১৯৯৪ থেকে ১৯৯৫ সাল পর্যন্ত মোহামেডান এসসি‘র হয়ে খেলেন। তখনই তার ঢাকা প্রিমিয়ার ডিভিশন লীগে ক্যারিয়ার শুরু। এরপর মুক্তিযোদ্ধা সংসদের (১৯৯৭-১৯৯৮) হয়ে প্রথম লীগ শিরোপা এবং মোহননগরী কাপ জয় করেন। এরপর ঢাকা আবাহনীর (১৯৯৯-২০০০) হয়ে ফেডারেশন কাপ এবং জাতীয় লীগ শিরোপা লাভে তার অবদান ছিল মনে রাখার মতো। ২০০৩ সালের সাফ চ্যাম্পিয়নশিপে পেনাল্টি শুটআউটের সময়, তিনি আশরাফ লুথফির একটি গুরুত্বপূর্ণ শট রক্ষা করেন, যার ফলে বাংলাদেশ তাদের প্রথম সাফ চ্যাম্পিয়নশিপ জিততে পারে। আমিনুলকে টুর্নামেন্টের সেরা গোলরক্ষকও মনোনীত করা হয়। ২০০৯ সালে মোহামেডান এসসি‘র (২০০৮-২০১০) হয়ে সুপার কাপ জয় এবং সেরা গোলরক্ষক পুরষ্কার পান। ২০১০ সালে দক্ষিণ এশীয় গেমসে অধিনায়ক হিসেবে বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-২৩ দলকে স্বর্ণপদক জেতানোর নেতৃত্ব দেন। শেখ জামাল ডিসি বা ধানমন্ডি ক্লাবের (২০১১-২০১২) হয়ে প্রিমিয়ার লীগ এবং ফেডারেশন কাপ শিরোপা জয় করেন। ২০০৩ থেকে ২০১২ সাল পর্যন্ত বিভিন্ন ক্লাবের হয়ে ৫ বার ফেডারেশন কাপ জয়ে তার অসাধারণ পারফর্মেন্স লক্ষণীয়। মুক্তিযোদ্ধা সংসদের এশিয়ান ক্লাব চ্যাম্পিয়নশিপের দ্বিতীয় পর্বে উত্তীর্ণ হওয়ায় তার অনেক অবদান ছিল। ২০০০ সাল হতে ২০০৩ সাল পর্যন্ত সময়ে তার অবদানের জন্য তাকে মুক্তিযোদ্ধা সংসদের কিংবদন্তি বলা হয়। ২০০৪ সালে প্রিমিয়ার লিগের ক্লাব নিউক্যাসেল ইউনাইটেড তার সঙ্গে যোগাযোগ করেছিল। কিন্তু যোগাযোগের সমস্যার কারণে চুক্তিটি আর আগায় নি। নিউক্যাসল ইউনাইটেড ছাড়াও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে তার পারফরম্যান্স আল হিলাল এসএফসির মতো ক্লাবগুলো তার প্রতি আগ্রহ দেখিয়েছিল। ইএসপিএন স্টারের শেবি সিং পরামর্শ দিয়েছিলেন যে আমিনুল সঠিক প্রশিক্ষণের মাধ্যমে ইংল্যান্ডেও আরও ভালো লীগে খেলার যোগ্য।

    আমিনুল ১৯৯৮ থেকে ২০১০ সাল পর্যন্ত বাংলাদেশ জাতীয় দলের প্রতিনিধিত্ব করেছেন। তিনি প্রায় ৫৬ বার ক্যাপিং করেছিলেন, যার মধ্যে তিনি ২০০৬, ২০০৮, ২০০৯ এবং ২০১০ সালে তার দেশের অধিনায়কত্ব করেছিলেন। ২০০৭ সালের পুরো মৌসুম তিনি ইঞ্জুরির কারণে খেলতে পারেননি। ২০১০ সালের ২০ ফেব্রুয়ারি আমিনুল ২৯ বছর বয়সে বাংলাদেশের তার ৫০তম ম্যাচ ও সর্বশেষ ম্যাচটি খেলে আন্তর্জাতিক ফুটবল থেকে অবসর গ্রহণ করেছিলেন। ২০১১ সালে ২০১৪ ফিফা বিশ্বকাপ বাছাইপর্বের প্রাথমিক পর্বে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে খেলার জন্য বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন তাকে অবসর পুনর্বিবেচনার অনুরোধ করেছিল। কিন্তু তিনি তার সিদ্ধান্তেই বহাল থাকেন।

    ২০১৪ সালে মার্চ মাসে যখন রাজনীতির মাঠ উত্তাল। ঠিক ঐ সময় বেগম খালেদা জিয়ার হাতে ফুল দিয়ে বিএনপিতে যোগদন করেন আমিনুল হক। দীর্ঘ ২০ বছরের ক্রীড়াজীবনে দেশের জন্য সম্মাননা বয়ে আনেন তিনি। খেলা ধুলা থেকে অবসরে যাওয়ার পর তার পরিচয় এখন রাজনীতিবিদ। তিনি বিএনপিতে যোগ দেবার দুই বছর পরে দলটির কেন্দ্রীয় ক্রীড়া সম্পাদকের পদ পেয়েছিলেন।

    সাকিব- মাশরাফির মত ক্ষমতাসীনদের পেছনে না ঘুরে একটি অনিশ্চিত রাজনৈতিক জীবন বেছে নিয়েছিলেন। রাজনীতিতে এসেই এসি রুম ছেড়ে রাজপথে সক্রিয় হন আমিনুল হক। ঐ সময় নবাগত রাজনীতিবিদ হয়েও বিএনপিতে যোগ দেবার পর ২০১৭ সালে বেগম খালেদা জিয়ার গাড়ি বহর থেকে প্রথম গ্রেপ্তার হন। দুটি পৃথক নাশকতার ঘটনার কারণে তাকে ২০২৩ সালের ১ নভেম্বর গ্রেপ্তার করা হয়েছিল। কয়েক মাস কারাভোগের পর পরে তাকে মুক্তি দেওয়া হয়।

    ২০১৮ সালের নির্বাচনের পর তারেক রহমান কঠিন সময়ে দলের প্রাণ কেন্দ্র হিসেবে পরিচিত ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির সদস্য সচিবের দায়িত্ব দেন আমিনুল হককে। সাংগঠনিক দক্ষতার পরিচয় দিয়ে ব্যাপক জনপ্রিয়তা অর্জন করেন এই তরুন রাজনীতিবিদ।

    বিজ্ঞাপন

    আমিনুল হক তার নির্বাচনী ইশতিহারে উল্লেখ করেছেন স্থায়ী পূর্ণবাসন ও সামাজিক মর্যাদা (নিম্ন ও মধ্যম আয়ের সকল নাগরিকদের স্থায়ী পূর্ণবাসন, নিরাপত্তা ও সামাজিক মর্যাদা প্রদান), উর্দূভাষী জনগোষ্ঠীর অধিকার (উর্দূভাষী জনগোষ্ঠীর সকল নাগরিক সুবিধা নিশ্চিত করে স্থায়ী পূর্ণবাসন ও সামাজিক মর্যাদা প্রদান), শিক্ষার মান উন্নয়ন (প্রতিটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শিক্ষার পরিবেশ ও মান সুনিশ্চিত করা এবং নিম্ন ও মধ্যম আয়ের এবং উর্দূভাষী জনগোষ্ঠীর জন্য বিনামূল্যে শিক্ষার ব্যবস্থা), মেধা বৃত্তি (মেধাবী শিক্ষার্থীদের জন্য মেধা ও শিক্ষা বৃত্তি প্রদান), স্বাস্থ্যসেবা (ওয়ার্ডভিত্তিক স্বাস্থ্য ও মাতৃসদন কেন্দ্র স্থাপন করে বিনামূল্যে প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা প্রদানসহ গর্ভবতী মায়েদের সেবা নিশ্চিত করা, সরকারি মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল নির্মাণ, ডেঙ্গু ও চিকুনগুনিয়া প্রতিরোধে কার্যকর ব্যবস্থা), উচ্চশিক্ষার উন্নয়ন (ডিগ্রি কলেজগুলোকে বিশ্ববিদ্যালয় কলেজে রূপান্তরিত করা), শিক্ষা প্রতিষ্ঠান জাতীয়করণ (পল্লবী ও রূপনগর থানার সকল এমপিওভুক্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোকে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে জাতীয়করণ), আশ্রয় কেন্দ্র (অসহায় ও ছিন্নমূল মানুষের জন্য আশ্রয় কেন্দ্র নির্মাণ), গ্যাস, পানি ও বিদ্যুৎ (প্রতিটি পরিবারের জন্য নিরবচ্ছিন্ন গ্যাস, পানি ও বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত করা এবং পুরাতন, জীর্ণশীর্ণ গ্যাস ও পানির লাইন প্রয়োজনীয় সংস্কার ও পুনঃস্থাপন), কর্মসংস্থান সৃষ্টি (বেকার ও তরুণদের কর্মসংস্থান সৃষ্টির লক্ষ্যে কারিগরি প্রশিক্ষণ, তৃতীয় ভাষা শিক্ষা এবং জব ফেয়ারের মাধ্যমে কর্মসংস্থান নিশ্চিত করা), খেলাধুলা ও স্পোর্টস একাডেমি (খেলাধুলার জন্য খেলার উপযোগী মাঠ তৈরি এবং পূর্ণাঙ্গ স্পোর্টস একাডেমি প্রতিষ্ঠা), সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি (ধর্ম, বর্ণ, দল-মত নির্বিশেষে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি নিশ্চিত করে ধর্মীয় উৎসব নির্বিঘ্নে পালনের লক্ষ্যে প্রতিটি ওয়ার্ডে মসজিদ, মাদ্রাসা, মন্দির ও গির্জাসহ অন্যান্য উপাসনালয় স্থাপন ও উন্নয়ন), নিরাপত্তা ব্যবস্থা (আবাসিক ও অনাবাসিক এলাকাসহ প্রতিটি মহল্লায় প্রয়োজনীয় নিরাপত্তা নিশ্চিতে সিসিটিভি স্থাপন, নিরাপত্তা কর্মী নিয়োগ এবং স্থানীয় কমিটির মাধ্যমে নিরাপত্তা নিশ্চিত করা), ডিজিটাল সুবিধা (কলেজ, বাসস্ট্যান্ড ও মার্কেটে ফ্রি ওয়াই ফাই জোন ব্যবস্থা এবং তরুণ প্রজন্মের মাঝে বিজ্ঞানভিত্তিক বিকাশের লক্ষ্যে আধুনিক লাইব্রেরি চালু)।

    নির্বাচন কমিশনে দাখিল করা হলফনামা বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, আমিনুল হকের নামে ২০১৯ সাল থেকে ২০২৪ সালের মধ্যে মোট ৩৬টি মামলা দায়ের হয়। তবে ২০২৪ সালের পর সবগুলো মামলা থেকেই তিনি আদালতের মাধ্যমে অব্যাহতি বা খালাস পেয়েছেন।

    আমিনুল হকের বর্তমান পেশা ব্যবসা। তার স্ত্রী এবং দুই মেয়ে ও এক ছেলের মধ্যে এক মেয়ে ব্যবসার সঙ্গে জড়িত। অপর এক মেয়ে ও ছেলে বর্তমানে শিক্ষার্থী। আমিনুল হকের আয়ের প্রধান উৎস ব্যবসা। এখান থেকে তার বাৎসরিক আয় ২০ লাখ ৮২ হাজার ৭০০ টাকা। এ ছাড়া ব্যবসা থেকে তার স্ত্রীর বাৎসরিক আয় ১০ লাখ টাকা এবং তার মেয়ের বাৎসরিক আয় ৭ লাখ ৮০ হাজার টাকা।

    আমিনুল হক বাড়ি, অ্যাপার্টমেন্ট বা বাণিজ্যিক স্থানের ভাড়া থেকে বার্ষিক আয় করেন ১ লাখ ৮৯ হাজার টাকা। তার শেয়ার, বন্ড বা সঞ্চয়পত্র থেকে বছরে আয় হয় ৭ লাখ ১ হাজার ২৬৫ টাকা। শেয়ার বা সঞ্চয়পত্র থেকে বছরে তার মেয়ের আয় ২ লাখ ২৩ হাজার ৫১৯ টাকা।

    অস্থাবর সম্পদের মধ্যে আমিনুল হকের নগদ জমা আছে ২ লাখ ৫৪ হাজার ৬৭০ টাকা। স্ত্রীর কাছে আছে ৩০ লাখ ৬৬ হাজার ৬০ টাকা এবং মেয়ের কাছে আছে ৫ হাজার ৫০৩ টাকা। ব্যবসায়িক কাজে বিভিন্ন ব্যাংকে থাকা তার মোট অর্থ ও সম্পদের পরিমাণ ১ কোটি ১৮ লাখ ১২ হাজার ৪৩৪ টাকা। আমিনুল হকের নিজ নামে বন্ড, ঋণপত্র বা শেয়ার আছে প্রায় সাত লাখ টাকার। তার স্ত্রীর নামে শেয়ার আছে ৫ লাখ টাকার এবং মেয়ের নামে শেয়ার আছে ৩ লাখ টাকা সমমূল্যের। নিজ নামে আমিনুল হকের সঞ্চয়পত্র বা স্থায়ী আমানত আছে ৭৭ লাখ ৭১ হাজার ৮১২ টাকার। মেয়ের নামে এফডিআর আছে ৪০ লাখ টাকার।

    আমিনুল হকের নিজ নামে ১৪ লাখ ৬০ হাজার টাকা মূল্যের একটি মোটরযান রয়েছে। তার স্ত্রীর নামে আছে ৬০ লাখ টাকা মূল্যের এবং মেয়ের নামে আছে ৫৯ লাখ টাকা মূল্যের মোটরযান। আমিনুল হকে নিজের ১ লাখ টাকার স্বর্ণালঙ্কার রয়েছে। স্ত্রীর আছে ৩০ লাখ টাকার স্বর্ণ আর মেয়ের আছে ৫০ ভরি স্বর্ণ। সব মিলে তাদের অস্থাবর সম্পদের পরিমাণ ৪ কোটি ২০ লাখ টাকার বেশি।

    স্থাবর সম্পদের মধ্যে আমিনুল হকের অকৃষি জমি আছে ২০ লাখ টাকা সমমূল্যের (অর্জনকালীন)। এ ছাড়া, অংশীদার হিসেবে দালান, বাড়ি বা অ্যাপার্টমেন্ট রয়েছে তার। এসব সম্পদের অর্জনকালীন মূল্য ৮৫ লাখ টাকার বেশি এবং বর্তমানে এগুলোর আনুমানিক মূল্য প্রায় ১ কোটি ৯০ লাখ টাকা।

    আমিনুল হক ব্যবসার কাজে সুবাদে ব্যাংক থেকে ঋণ নিয়েছেন যৌথভাবে। তার নিজের অংশের ঋণের পরিমাণ প্রায় ১১ লাখ টাকা। এছাড়া চারটি ক্রেডিট কার্ড রয়েছে নিজের।তার স্ত্রীর নামে আছে দুটি ক্রেডিট কার্ড এবং মেয়ের নামে আছে দুটি ক্রেডিট কার্ড। আমিনুল হকের নিজের নামে বা পরিবারের কারো নামে কোনো সরকারি পাওনা নেই।

    আমিনুল হকের আয়কর রিটার্ন জামার তথ্য থেকে জানা যায়, ২০২৫-২৬ অর্থ বছরে তার আয়ের পরিমাণ ২৯ লাখ ৭৪ হাজার ১৪২ টাকা এবং সম্পদ রয়েছে ২ কোটি ৪৯ লাখ ৫৭ হাজার ৯৪৫ টাকার। তিনি এ সময়ে আয়কর দিয়েছেন ৫ লাখ টাকার বেশি। এ ছাড়া একই অর্থ বছরে তার স্ত্রীর আয় ১০ লাখ টাকা এবং মেয়ের আয় ১০ লাখ টাকার সামান্য বেশি।

    ঢাকা ১৬ আসনে আমিনুল হকের প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী সাবেক সেনা কর্মকর্তা মো. আব্দুল বাতেন।

    আরও খবর

    Sponsered content

    বিজ্ঞাপন
    সর্বশেষ সংবাদ
    7:41 PM ঢাকা-১৬ আসনে বিএনপি প্রার্থী আমিনুল হক 6:58 PM ‘হ্যাঁ’ ভোট দিলে দেশ বৈষম্যমুক্ত হবে : প্রধান উপদেষ্টা 6:21 PM আশ্বস্ত হয়ে ইসি ছাড়ল ছাত্রদল 4:50 PM অর্থনীতি আর ভঙ্গুর অবস্থায় নেই: অর্থ উপদেষ্টা 4:31 PM শিগগিরই তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়ন হবে: চীনা রাষ্ট্রদূত 3:26 PM বিশ্বকাপে বাংলাদেশ ইস্যুতে যে সিদ্ধান্ত নিলো পাকিস্তান 3:14 PM শাকসু নির্বাচন হাইকোর্টে স্থগিত 3:11 PM শোকজের জবাবে বিসিবিকে যা জানালেন নাজমুল 1:46 PM বাংলাদেশিদের জন্য ভিসায় বন্ড বাধ্যতামূলক করল যুক্তরাষ্ট্র 11:53 AM বাফুফের হাতে ফিফা বিশ্বকাপের টিকিট, আবেদনের আহ্বান