
প্রতিনিধি 10 January 2026 , 5:40:14 প্রিন্ট সংস্করণ

জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে রাজধানীর রামপুরায় সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায়, আসামিপক্ষে সাফাই সাক্ষ্য গ্রহণের জন্য আগামী ১৩ জানুয়ারি দিন ধার্য করেছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল। অপরদিকে, এ মামলায় ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) সাবেক কমিশনার হাবিবুর রহমানসহ ৫ জনের বিরুদ্ধে তদন্ত কর্মকর্তার জেরা সম্পন্ন হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (৮ জানুয়ারি) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১-এর চেয়ারম্যান বিচারপতি মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদারের নেতৃত্বাধীন ২ সদস্যের বিচারিক প্যানেল এই দিন নির্ধারণ করেন। ট্রাইব্যুনালের অপর সদস্য হলেন-অবসরপ্রাপ্ত জেলা ও দায়রা জজ মো. মোহিতুল হক এনাম চৌধুরী। প্রসিকিউশনের পক্ষে শুনানিতে ছিলেন-প্রসিকিউটর মিজানুল ইসলাম ও গাজী এমএইচ তামিমসহ অন্য প্রসিকিউটররা।

মামলার তদন্ত কর্মকর্তা সৈয়দ আবদুর রউফকে বৃহস্পতিবার অবশিষ্ট জেরা করেন-পলাতক আসামিদের পক্ষে রাষ্ট্রনিযুক্ত (স্টেট ডিফেন্স) আইনজীবী মো. আমির হোসেন। জেরা শেষে এ মামলায় গ্রেপ্তার থাকা রামপুরা পুলিশ ফাঁড়ির তৎকালীন এএসআই চঞ্চল চন্দ্র সরকারের পক্ষে সাফাই সাক্ষ্য দেয়ার আবেদন করেন তার আইনজীবী সারওয়ার জাহান নিপ্পন।
আদালত শুনানি শেষে আবেদনটি মঞ্জুর করে আগামী ১৩ জানুয়ারি সাফাই সাক্ষ্য গ্রহণের দিন ঠিক করেন। আইনজীবী জানিয়েছেন, আসামি চঞ্চল চন্দ্র সরকার নিজের পক্ষে নিজেই জবানবন্দি দেবেন। এ মামলায় হাবিবুর রহমান ছাড়া পলাতক অন্য আসামিরা হলেন-খিলগাঁও জোনের সাবেক এডিসি মো. রাশেদুল ইসলাম, রামপুরা থানার সাবেক ওসি মো. মশিউর রহমান ও রামপুরা থানার সাবেক এসআই তারিকুল ইসলাম ভূঁইয়া।
গত বছরের ১৮ সেপ্টেম্বর তাদের বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দেয়া হয়েছিল। বৃহস্পতিবার সকালে একমাত্র গ্রেপ্তার থাকা আসামি চঞ্চল চন্দ্র সরকারকে কড়া পুলিশি পাহারায় ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হয়। উল্লেখ্য, ২০২৪ সালের ১৯ জুলাই রামপুরার বনশ্রী-মেরাদিয়া এলাকায় পুলিশের অভিযানে ব্যাপক হতাহতের ঘটনা ঘটে।