
প্রতিনিধি 21 November 2025 , 8:05:18 প্রিন্ট সংস্করণ

রাজধানীর বাজারগুলোতে মাত্র ৩-৪ সপ্তাহ আগেই শীতকালীন সবজির সরবরাহ বাড়ে। এতে তুলণামূলক সব সবজির দাম কমে ক্রেতার নাগালে চলে আসে সবজির দাম। এমনকি গত সপ্তাহেও দামে স্বস্তি ছিল। কিন্তু সপ্তাহের ব্যবধানে শুক্রবার রাজধানীর বাজারগুলোতে প্রায় সব ধরনের শীতের সবজির দাম বেড়েছে।
২১ নভেম্বর-রাজধানীর রামপুরা, মালিবাগ, শান্তিনগর, বাড্ডা ও সেগুনবাগিচা বাজার ঘুরে এমন চিত্র দেখা গেছে। বাজারে শিম, মুলা, শালগম, ফুলকপি ও বাঁধাকপি চড়া দামে বিক্রি হচ্ছে। এতে শীতের সবজি কিনতে গিয়ে বেকায়দায় পড়ছেন ভোক্তারা। হঠাৎ এভাবে দাম বাড়ার কারণ খুঁজে পাচ্ছেন না অনেক ক্রেতা।
কয়েকজন সবজি বিক্রেতা জানিয়েছেন, গত তিন-চার সপ্তাহ সবজির সরবরাহ বেড়েছিল। যে কারণে দামও কম ছিল। এরমধ্যে শেষ সপ্তাহে সরবরাহ ঘাটতির কারণে দাম আবারও বেড়েছে। মালিবাগ বাজারের সবজি বিক্রেতা সুমন রহমান জানান, গত কয়েকদিন রাজনৈতিক কর্মসূচি, যানবাহনে আগুন ও ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনায় পণ্য পরিবহন ব্যাহত হয়েছে। যে কারণে পণ্য সরবরাহ কমে এবং দাম বেড়ে যায়।

বাজারে বড় আকারের ফুলকপি ও বাঁধাকপি যখন আসতে শুরু করে তখন প্রথম তা ছিল ছোট আকারের। এক সপ্তাহের মধ্যেই বড় আকারের ফুলকপি ও বাঁধাকপি বাজারে আসতে শুরু করে। তবে তখনো প্রতিটি কপির দাম ছিল ৪০-৫০ টাকা। এখনো কপির দাম কমেনি। আর প্রতি কেজি শিম সপ্তাহ দুই আগেও ৫০-৬০ টাকায় নেমে এসেছিল। কিন্তু এখন আবারও বেড়ে ১০০-১২০ টাকায় উঠেছে। প্রতি কেজি নতুন বেগুনের দাম খানিকটা কমলেও এখনো ভোক্তার সহনীহ পর্যায়ে আসেনি।
প্রতি কেজি মুলার দাম এখনো ৪০-৫০ টাকা। এ সপ্তাহে বাজারে নতুন শালগম এসেছে, যা বিক্রি হচ্ছে বাজারভেদে ৬০ থেকে ১০০ টাকা দরে। এছাড়া শীতের জনপ্রিয় শাক পালংয়ের আঁটি বিক্রি হচ্ছে ২০ থেকে ৪০ টাকা দরে। সেগুনবাগিচা বাজারের সবজি বিক্রেতা আবু আলী জানান, শীতের সময় ভোক্তারা কম দামে সবজি কিনে অভ্যস্ত। সেই পরিস্থিতি তৈরি হতে আরও খানিকটা সময় লাগবে।
বাজারগুলোতে বরবটি, করলা ও কাঁকরোলের কেজি বিক্রি হচ্ছিল ৬০ থেকে ৭০ টাকায়। এসব সবজি এখন বিক্রি হচ্ছে ৭০-৮০ টাকার মধ্যে। ঢ্যাঁড়স ও পটলের দামও খানিকটা বেড়েছে, ৪০-৬০ টাকা থেকে বেড়ে প্রতি কেজি বিক্রি হচ্ছে ৫০-৬০ টাকায়। বাজারে কয়েকটি দোকানে নতুন আলু এসেছে। দামও চড়া। প্রতি কেজি নতুন আলু কিনতে ভোক্তাকে গুনতে হচ্ছে ১২০-১৪০ টাকা।