
প্রতিনিধি 15 March 2026 , 5:24:31 প্রিন্ট সংস্করণ

জ্বালানি সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে প্রয়োজনে আইএমএফ ও বিশ্বব্যাংক থেকে ঋণ নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর অর্থ উপদেষ্টা রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর।
রোববার (১৫ মার্চ) সচিবালয়ে সাংবাদিকদের তিনি এ কথা জানান।
রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর বলেন, জ্বালানির নতুন উৎসের খোঁজে বিভিন্ন দেশের সঙ্গে যোগাযোগ চলছে। এ ছাড়া জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে যে কোনো মূল্যে প্রয়োজনীয় অর্থ বরাদ্দ দেওয়া হবে। এ জন্য প্রয়োজনে আইএমএফ ও বিশ্বব্যাংক থেকে ঋণ নেওয়া হবে। এর পাশাপাশি বিভিন্ন খাত থেকে কাটছাঁট করে নিজস্ব উৎস থেকে অর্থ সরবরাহের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।

এদিকে রোববার সচিবালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত বলেন, আজ থেকে জ্বালানি তেল বিক্রিতে কোনো রেশনিং থাকছে না। সবাই চাহিদামতো তেল কিনতে পারবেন। জ্বালানির সংকট যাতে না হয়, তাই আমদানি বাড়াতে বন্ধুরাষ্ট্র থেকে শুরু করে বিভিন্ন দেশের সঙ্গে আলোচনা চলছে।
মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ ছড়িয়ে পড়ার পর বৈশ্বিকভাবে জ্বালানি তেলের সরবরাহ কমায় দেশেও সরবরাহ নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়। আতঙ্কে স্বাভাবিক চাহিদার চেয়ে দ্বিগুণ হারে জ্বালানি তেল কেনা শুরু হয়। এটি ঠেকাতে তেল কেনায় সীমা বেঁধে দেওয়া হয়। ফিলিং স্টেশনে সরবরাহ কমানো হয়। সেখানে দীর্ঘ লাইন কমছে না। তাই ঈদযাত্রায় মানুষের ভোগান্তি ঠেকাতে ও সেচের ডিজেলের চাহিদা পূরণে জ্বালানি তেল বিক্রির সীমা তুলে নিল সরকার।
বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (বিপিসি) সূত্র বলছে, এ মাসে জ্বালানি তেল নিয়ে মোট ১৮টি জাহাজ আসার কথা। ১৪ মার্চ পর্যন্ত ৬টি জাহাজ এসেছে। ২৭ মার্চ পর্যন্ত আরও ৬টি জাহাজ আসার সময়সূচি পাওয়া গেছে। এর বাইরে ৬টি জাহাজের এখন পর্যন্ত সময়সূচি পাওয়া যায়নি। প্রতিটি জাহাজে ২৫ থেকে ৩০ হাজার টন তেল থাকে।