
প্রতিনিধি 21 February 2026 , 8:51:08 প্রিন্ট সংস্করণ

‘প্রয়োজনীয় সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করা গেলে মোংলা বন্দরকেও চট্টগ্রাম বন্দরের মতো একটি সফল ও সক্ষম বন্দরে দ্রুত সময়ের মধ্যে প্রতিষ্ঠিত করা সম্ভব। সরকারের ১৮০ দিনের অগ্রাধিকার কর্মপরিকল্পনায় মোংলা বন্দরকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। ফলে আগামী ৬ মাসের মধ্যেই বন্দরের দৃশ্যমান ও আমূল পরিবর্তন দেখতে পাওয়া যাবে।’
শনিবার (২১ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে মোংলা বন্দর জেটিতে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে নৌপরিবহনমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম এসব কথা বলেন।

শেখ রবিউল আলম বলেন, মোংলা নদীর ওপর একটি ঝুলন্ত সেতুর প্রয়োজনীয়তা রয়েছে। বিষয়টি অগ্রাধিকার ভিত্তিতে বিবেচনা করা হবে। এছাড়া মোংলা-খুলনা রেলপথে রেল চলাচল বাড়াতে দ্রুত সময়ের মধ্যে নতুন রেলের কোচ ও ইঞ্জিন সংযোজন করা হবে। এতে করে বন্দরের পণ্য পরিবহন ব্যবস্থা আরও গতিশীল হবে।
এর আগে বন্দর কর্তৃপক্ষের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত এক মতবিনিময় সভায় অংশ নেন নৌপরিবহনমন্ত্রী। সভায় উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় সংসদ সদস্য ও পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী লায়ন ডক্টর শেখ ফরিদুল ইসলাম।
মতবিনিময় সভায় বন্দরের সার্বিক কার্যক্রম, উন্নয়ন পরিকল্পনা ও সম্ভাবনা নিয়ে দুই মন্ত্রীকে ব্রিফিং দেওয়া হয়।
এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন—নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের সচিব ড. নুরুন্নাহার চৌধুরী, মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান রিয়ার অ্যাডমিরাল শাহীন রহমান, সদস্য (হারবার ও মেরিন) কমডোর মো. শফিকুল ইসলাম সরকার, সদস্য (অর্থ) ও পরিচালক (প্রশাসন) আবেদ হোসেন, সদস্য (প্রকৌশল ও উন্নয়ন) ড. আনিসুর রহমান এবং পরিচালক (বোর্ড) কালাচাঁদ সিংহ।