
প্রতিনিধি 19 February 2026 , 10:10:49 প্রিন্ট সংস্করণ

গত কয়েক মাস ধরে সিরিয়া থেকে ধীরে ধীরে কিছু সেনা প্রত্যাহার করে নিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। তবে এখনও দেশটিতে প্রায় এক হাজার মার্কিন সেনা অবশিষ্ট রয়েছে। বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বাকি সেনাদেরও প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত নিয়েছে ওয়াশিংটন।
মার্কিন কর্মকর্তাদের উদ্ধৃতি দিয়ে ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল জানিয়েছে, আগামী দুই মাসের মধ্যে সেনাদের প্রত্যাহার করা হবে বলে আশা করা হচ্ছে। ওয়াশিংটন এই সিদ্ধান্তে পৌঁছেছে যে সিরিয়ায় মার্কিন সামরিক উপস্থিতির আর প্রয়োজন নেই। স্থানীয় অংশীদারদের মাধ্যমে নিষিদ্ধ গোষ্ঠী আইএসআইএসের বিরুদ্ধে লড়াই করার মূল মার্কিন মিশন কার্যকরভাবে শেষ হয়ে যাওয়ায় এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে বলে উল্লেখ করা হয়েছে প্রতিবেদনে।

মার্কিন সেনাবাহিনী ইতিমধ্যেই সিরিয়া, জর্ডান এবং ইরাকের সীমান্তবর্তী একটি গুরুত্বপূর্ণ আউটপোস্ট আল-তানফ গ্যারিসন এবং উত্তর-পূর্ব সিরিয়ার আল-শাদ্দাদি ঘাঁটি থেকে তাদের সেনা প্রত্যাহার চূড়ান্ত করেছে।
প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, এই প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত মধ্যপ্রাচ্যে বর্তমান মার্কিন নৌ ও বিমান মোতায়েনের সাথে সম্পর্কিত নয়। তবে ইরান সতর্ক করে দিয়েছে যে মার্কিন বিমান হামলার প্রতিক্রিয়ায় তারা এই অঞ্চলে তাদের বাহিনীকে লক্ষ্যবস্তু করবে।
একজন ঊর্ধ্বতন মার্কিন কর্মকর্তা বলেন, সিরিয়ার সরকার সন্ত্রাসবাদ দমনের প্রচেষ্টা গ্রহণ করার সাথে সাথে প্রত্যাহারের প্রক্রিয়া চলছে এবং মার্কিন বাহিনী এখনও আইএসআইএসের যেকোনো হুমকির জবাব দিতে পারে।
ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল বলছে, কিছু মার্কিন এবং বিদেশি কর্মকর্তা সতর্ক করে বলেছেন, আমেরিকান উপস্থিতি হ্রাস পেলে যুদ্ধবিরতি ভেঙে যেতে পারে এবং আইএসআইএস পুনরায় সংগঠিত হতে পারে। অনেকে মনে করছেন, অবশিষ্ট এসব সেনারা মূলত একটি উল্লেখযোগ্য সন্ত্রাসবাদ দমন বাহিনীর পরিবর্তে একটি রাজনৈতিক সংকেত হিসেবে কাজ করবে সিরিয়ায়।
সূত্র: আনাদোলু