
প্রতিনিধি 18 February 2026 , 12:06:57 প্রিন্ট সংস্করণ

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দুই-তৃতীয়াংশেরও বেশী আসনে বিজয়ের পর বিএনপির সংসদীয় দলের সভায় সংসদ নেতা নির্বাচিত হন দলের চেয়ারম্যান তারেক রহমান। বিকেলে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ গ্রহণ করেন তিনি। প্রধানমন্ত্রী হিসেবে কত বেতন-ভাতা প্রাপ্য হবেন তিনি। আর প্রধানমন্ত্রীর সুযোগ সুবিধা-ই বা কী কী?
প্রধানমন্ত্রীর বেতন-ভাতা ও সুযোগ সুবিধা নির্ধারিত হয় ‘দ্য প্রাইম মিনিস্টারস (রেমুনারেশন অ্যান্ড প্রিভিলেজ) (অ্যামেন্ডমেন্ট) বিল, ২০১৬’ অনুসারে। উক্ত বিধান অনুসারে প্রধানমন্ত্রীর বেতন মাসে ১ লাখ ১৫ হাজার টাকা। মাসিক বাড়ি ভাড়া পাবেন ১ লাখ টাকা। অবশ্য বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীরা সরকারি বাসভবন পান এবং সেখানেই থাকেন। বাসভবনের সজ্জা ও রক্ষণাবেক্ষণের সব ব্যয়ভার বহন করবে সরকার।

তিনি কোনো কারণে সরকারি বাসায় না থেকে নিজ বাসায় থাকতে চাইলে বা থাকলে সেক্ষেত্রেও বাড়ির সজ্জা ও রক্ষণাবেক্ষণের খরচ সরকার দেবে। তিনি নিজ বাসায় থাকতে চাইলে নিরাপত্তাকর্মী নিয়োগ ও তার খরচও রাষ্ট্রের কোষাগার থেকে যাবে। প্রধানমন্ত্রীর দৈনিক ভাতা ৩ হাজার টাকা। এ ছাড়া প্রধানমন্ত্রী বিমান ভ্রমণের জন্য ২৫ লাখ টাকার বিমা কাভারেজ এবং দেড় কোটি টাকার স্বেচ্ছাধীন তহবিল পান।
প্রধানমন্ত্রী হিসেবে বিনোদনের জন্য যে খরচ করা হয়, তা সম্পূর্ণ ভাতা হিসেবে তাকে প্রদান করা হবে। অফিস থেকে বাসায় এবং বাসা থেকে অফিসে যাতায়াতের সমস্ত খরচই সরকার বহন করবে। প্রধানমন্ত্রী এবং তার পরিবারের নির্দিষ্ট ব্যয়ও তিনি ভাতা হিসেবে পাবেন। পাশাপাশি প্রধানমন্ত্রীর বাসভবনের বিদ্যুৎ, গ্যাস, পানি, টেলিফোন ও অন্যান্য ইউটিলিটি খরচও সরকারই বহন করবে।
তার গৃহস্থালি পণ্য পরিবহন করা লাগলে সেজন্য বিমান ও ব্যক্তিগত গাড়ির বাইরেও বাড়তি ট্রেন, স্টিমার বা জাহাজের খরচ পাবেন। তবে এর দূরত্ব হতে হবে সর্বোচ্চ সাড়ে চার হাজার কিলোমিটারের মধ্যে। এছাড়া তার বাসভবনের বিদ্যুৎ, গ্যাস, পানি, টেলিফোন ও অন্যান্য ইউটিলিটির ব্যয়ও সরকার বহন করবে।
প্রধানমন্ত্রী হিসেবে তিনি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি হিসেবে বিবেচিত হবেন এবং দেশের ভেতর তার যাতায়াতের সব খরচ বহন করবে সরকার। দেশের বাইরে কোনো কাজে গেলে তার জন্যও ভাতা পাবেন তারেক রহমান। প্রধানমন্ত্রীর ব্যক্তিগত চিকিৎসকের পরামর্শে দেশে এবং দেশের বাইরের যেকোনো মেডিকেলে চিকিৎসা সুবিধা পাবেন তিনি; সঙ্গে পরিবারও।