• জাতীয়

    নির্বাচনী সহিংসতা ও হত্যাকাণ্ড বিষয়ে টিআইবির প্রতিবেদন নিয়ে সরকারের প্রতিক্রিয়া

      প্রতিনিধি 8 February 2026 , 7:18:03 প্রিন্ট সংস্করণ

    নির্বাচনী সহিংসতা ও হত্যাকাণ্ড বিষয়ে টিআইবির প্রতিবেদন নিয়ে সরকারের প্রতিক্রিয়া। ছবি: সংগৃহীত।
    বিজ্ঞাপন
    Main Banner Ads For Captains TV

    নির্বাচনী তফসিল ঘোষণার পরবর্তী ৩৬ দিনে ১৫ জন রাজনৈতিক নেতা-কর্মী নিহত হয়েছে, এমন তথ্য প্রকাশ করেছে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি)। সংখ্যাটি ইতোমধ্যে আলোচনায় এসেছে এবং ব্যাপকভাবে উদ্ধৃত হচ্ছে। তবে বিষয়টি অন্ধভাবে পুনরুক্তি না করে গভীরভাবে পর্যালোচনার দাবি রাখে বলে জানিয়েছে সরকার।

    নির্বাচনী সহিংসতা ও হত্যাকাণ্ড নিয়ে টিআইবির প্রতিবেদনের প্রতিক্রিয়ায় প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং এক বার্তায় এসব কথা জানায়। বার্তায় বলা হয়, পুলিশের নথি অনুযায়ী এই সময়ের মধ্যে সংঘটিত হত্যাকাণ্ডগুলোর মধ্যে মাত্র ৫টি ঘটনাকে সরাসরি রাজনৈতিক পরিচয় বা রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে যুক্ত করা যায়। এর মধ্যে একটি ছিল তরুণ রাজনৈতিক নেতা ওসমান হাদির নির্মম হত্যাকাণ্ড। মোটরসাইকেলে আসা দুর্বৃত্তরা তাঁকে গুলি করে হত্যা করে।

    প্রতিটি হত্যাকাণ্ডই নিন্দনীয় উল্লেখ করে সরকার বলছে, ওসমান হাদির হত্যাকাণ্ড ছিল বিশেষভাবে ভয়াবহ। এটি শুধু একজন তরুণ রাজনৈতিক নেতাকে নীরব করার চেষ্টা ছিল না, বরং একটি সংবেদনশীল রাজনৈতিক সময়ে দেশে আতঙ্ক ও অস্থিরতা সৃষ্টি করাই ছিল এর উদ্দেশ্য। তবে সেই উদ্দেশ্য সফল হয়নি। দেশ প্রতিশোধমূলক সহিংসতায় জড়িয়ে পড়েনি এবং নির্বাচনী প্রক্রিয়াও ব্যাহত হয়নি।

    বিজ্ঞাপন

    সরকারের মতে, টিআইবির প্রতিবেদনে যে বিষয়টি তুলে ধরা হয়নি, তা হলো প্রেক্ষাপট। বাংলাদেশে নির্বাচনকে ঘিরে রাজনৈতিক সহিংসতা নতুন কিছু নয়। ২০২৪ সালের প্রহসনের নির্বাচনে ৬জন নিহত হন।

    অপরদিকে, ২০১৮ সালের রাতের ভোটে প্রাণ হারান ২২ জন। আর ২০১৪ সালের সরকারিভাবে কারচুপিপূর্ণ নির্বাচনে রাজনৈতিক সহিংসতায় অন্তত ১১৫ জনের মৃত্যু হয়। এই ইতিহাসের আলোকে বর্তমান নির্বাচন-পূর্ব সময়কে নিরাপত্তার ভয়াবহ ভাঙনের প্রতিচ্ছবি হিসেবে তুলে ধরা সহজে টেকসই হয় না বলে বার্তায় উল্লেখ করা হয়।

    টিআইবির পরিসংখ্যান ও সরকারি তথ্যের পার্থক্য কোনো ধামাচাপা দেওয়ার ফল নয় উল্লেখ করে সরকার বলছে, এটি মূলত মৃত্যুর ঘটনাগুলো শ্রেণিবিন্যাস করার পদ্ধতি নিয়ে মতভেদের প্রতিফলন। টিআইবি রাজনৈতিক দলের সঙ্গে যুক্ত যে কারও হত্যাকাণ্ডকে নির্বাচন-সম্পর্কিত বলে গণ্য করছে, হত্যাকাণ্ডের পেছনে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যের প্রমাণ থাকুক বা না থাকুক। বিপরীতে সরকার কেবল সেসব মৃত্যুকেই গণনায় নিচ্ছে, যেগুলোর সঙ্গে নির্বাচন কার্যক্রমের সরাসরি ও প্রমাণযোগ্য সম্পর্ক রয়েছে। এই দুই পদ্ধতিকে সমানভাবে বিবেচনা করলে জনমনে বিভ্রান্তি তৈরি এবং নিরাপত্তাহীনতার ধারণা অতিরঞ্জিত হয়।

    সুত্র: ঢাকা, ৮ ফেব্রুয়ারি-২০২৬, বাসস।

    আরও খবর

    Sponsered content

    বিজ্ঞাপন
    সর্বশেষ সংবাদ
    7:18 PM নির্বাচনী সহিংসতা ও হত্যাকাণ্ড বিষয়ে টিআইবির প্রতিবেদন নিয়ে সরকারের প্রতিক্রিয়া 7:14 PM এই সরকারের আমলে হচ্ছে না, ডিপি ওয়ার্ল্ড-চট্টগ্রাম বন্দর ইজারা চুক্তি: বিডা 6:01 PM আর জমি বেচে বিদেশ নয়, সহজ শর্তে ঋণ দেবো: তারেক রহমান 5:37 PM শ্রমবাজারে সুনাম বজায় রাখতে সার্টিফিকেশন জালিয়াতি রোধের নির্দেশ প্রধান উপদেষ্টা’র 5:20 PM মাদ্রাসা এমপিওভুক্তির আবেদন স্থগিত করে বিজ্ঞপ্তি 5:12 PM এলাকার সন্তান হিসেবে ঢাকা-১৭ আসনে সবার কাছে ভোট চাইলেন তারেক রহমান 5:06 PM অবাধ ও নিরপেক্ষ পরিবেশ তৈরিতে নির্বাচন কমিশন ও প্রশাসনের ভূমিকার ঘাটতি: টিআইবি 4:53 PM এ বছর পবিত্র রমজান ২৯ নাকি ৩০ দিন 4:32 PM যদি গণভোটে ‘না’ জয়ী হয়, তবে কি ঘটবে? 4:06 PM শহীদ ওসমান হাদির হত্যাকাণ্ডের তদন্তে জাতিসংঘের সহযোগিতা চেয়েছে সরকার