
প্রতিনিধি 6 February 2026 , 2:42:33 প্রিন্ট সংস্করণ

রমজান মাস সামনে রেখে দেশের বাজারে হঠাৎ বেড়ে গেছে ভোজ্যতেলের দাম। তবে মিলমালিকেরা বলছেন, বিশ্ববাজারের বাড়তি দামের প্রভাব এখনো বাজারে নেই। একশ্রেণির অসাধু ব্যবসায়ী সয়াবিন ও পাম তেলের দাম বাড়িয়ে দিয়েছেন। খুচরা ব্যবসায়ীরা বলছেন, সরবরাহ স্বাভাবিক থাকলেও কোম্পানিগুলো কমিশন কমিয়ে দিয়ে কৌশলে দাম বাড়িয়েছে; এরই প্রভাব পড়েছে খুচরা বাজারে।
এদিকে সরবরাহ বেড়ে কাঁচাবাজারে সব ধরনের সবজির দাম কমতির দিকে রয়েছে। মুরগির দাম কেজিতে ১০ টাকা বাড়লেও ডিমের দাম ডজনে পাঁচ টাকা কমেছে। ব্যবসায়ীরা বলছেন, এবার রমজানকে সামনে রেখে নিত্যপণ্যের সরবরাহ প্রচুর। ফলে দাম বাড়ার কোনো সম্ভাবনা নেই।

কারওয়ান বাজারের খুচরা ব্যবসায়ী ইমাম উদ্দিন বাবলু বলেন, সরবরাহ স্বাভাবিক থাকলেও কোম্পানিগুলো ভোজ্যতেলে কমিশন কমিয়ে দেওয়ায় এর কিছুটা প্রভাব পড়েছে খুচরা বাজারে। এছাড়া ডাল-চিনিসহ রমজানে অধিক চাহিদাসম্পন্ন পণ্যের দাম স্থিতিশীল রয়েছে।
সংশ্লিষ্ট সত্রগুলো বলছে, দেশে বার্ষিক ভোজ্যতেলের চাহিদা প্রায় ২৫ লাখ টন। এর মধ্যে চট্টগ্রাম কাস্টম হাউসের তথ্যানুযায়ী গত ডিসেম্বর পর্যন্ত পরিশোধিত ও অপরিশোধিত মিলে শুধু পাম তেল আমদানি হয়েছে ২৪ লাখ ৪৬ হাজার ৮৮৩ টন। এর বাইরে সয়াবিনের বীজ আমদানি করে রিফাইনারিগুলোর সয়াবিন উৎপাদন আছে।
সাধারণত রোজার মাসে প্রায় তিন লাখ টন ভোজ্যতেলের চাহিদা থাকে। কিন্তু আমদানি হয়েছে এর চেয়ে অনেক বেশি। গত ডিসেম্বর ও জানুয়ারি মাসেই প্রায় পৌনে চার লাখ টন ভোজ্যতেল আমদানি হয়েছে বলে জানায় সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো। এছাড়া চট্টগ্রাম বন্দরে খালাসের অপেক্ষায় আছে তিনটি ট্যাংকার বোঝাই প্রায় এক লাখ টন সয়াবিন তেল। কিন্তু তবুও বাজারে দাম বাড়ছে ভোজ্যতেলের।