• রাজনীতি

    ঢাকা-১১ আসনে বিএনপি প্রার্থী এম এ কাইয়ুম

      প্রতিনিধি 31 January 2026 , 1:04:26 প্রিন্ট সংস্করণ

    ছবি : ক্যাপ্টেন্স টিভি
    ছবি : ক্যাপ্টেন্স টিভি
    বিজ্ঞাপন
    Main Banner Ads For Captains TV

    আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকা-১১ আসন থেকে নির্বাচন করবেন বিএনপি প্রার্থী এম এ কাইয়ুম । ঢাকা-১১ হল বংলাদেশের জাতীয় সংসদের ৩০০টি নির্বাচনী এলাকার একটি। এটি ঢাকা শহরে অবস্থিত জাতীয় সংসদের ১৮৪নং আসন। ঢাকা-১১ আসনটি ঢাকা মেট্রোপলিটন এর বাড্ডা থানা, ভাটারা থানা, রামপুরা থানা, হাতিরঝিল থানার একাংশ এবং ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশন এর ২১, ২২ , ২৩ ,৩৭, ৩৮, ৩৯, ৪০, ৪১,ও ৪২ নং ওয়ার্ড নিয়ে গঠিত।

    ১৯৬৩ সালের ২ ফেব্রুয়ারি জন্ম নেওয়া এম এ কাইয়ুম পেশায় একজন ব্যবসায়ী ও রাজনীতিবিদ। তিনি জয়পুরহাটে এক সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। এম এ কাইয়ুমের পিতা এস এ হাই ছিলেন সাবেক  বিজেএমসির সরকারী চাকুরিজীবি ও তার মাতা রাবেয়া আক্তার ছিলেন একজন স্নেহময়ী সাধারণ গৃহিণী। মাতা পিতার নয় সন্তানের মধ্যে এম এ কাইয়ুম পঞ্চম। তার স্ত্রী শামীম আরা বেগম একজন ব্যবসায়ি। দাম্পত্য জীবনে তাদের এক পুত্র (নাভিদ তানবিন অনন্ত) ও দুই কন্যা (রাইসা তাসনিম অরিন,অরনিতা তাসনিম অংকুর) সন্তান।

    ঢাকা-১১ আসনে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) মনোনীত প্রার্থী এম এ কাইয়ুম দীর্ঘদিন ধরে রাজনীতির মাঠে সক্রিয়। ছাত্রজীবন থেকেই রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত এম এ কাইয়ুম। তিনি ১৯৯৪ সাল থেকে ২০১৩ টানা প্রায় দুই যুগ ওয়ার্ড কমিশনার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।  ধাপে ধাপে তৃণমূল পর্যায়ের নেতৃত্ব গড়ে তুলে জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রার্থী হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেছেন। এম এ কাইয়ুম বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-এর জাতীয় নির্বাহী কমিটির ক্ষুদ্র ঋণ বিষয়ক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন এম এ কাইয়ুম। তিনি ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির সাবেক প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি হিসেবে দলীয় রাজনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে আসছেন।

    দলীয় সূত্র জানায়, দীর্ঘদিন ধরে তৃণমূল পর্যায়ে সাংগঠনিক কার্যক্রমে সক্রিয় থাকা এম এ কাইয়ুম ক্ষুদ্র ঋণ ও আর্থসামাজিক উন্নয়ন সংক্রান্ত বিষয়ে বিশেষভাবে কাজ করে যাচ্ছেন। তাঁর নেতৃত্ব ও অভিজ্ঞতা দলীয় কার্যক্রমকে আরও গতিশীল করবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন নেতাকর্মীরা। রাজনৈতিক জীবনে তিনি সাংগঠনিক দক্ষতা, দলীয় শৃঙ্খলা ও কর্মীদের সঙ্গে নিবিড় যোগাযোগের জন্য পরিচিত। নতুন দায়িত্ব পালনের মাধ্যমে তিনি দেশের আর্থিক অন্তর্ভুক্তি ও ক্ষুদ্র ঋণ খাত নিয়ে নীতিগত পর্যায়ে কার্যকর ভূমিকা রাখবেন বলে সংশ্লিষ্ট মহলের প্রত্যাশা।

    বিজ্ঞাপন

    এম এ কাইয়ুম  আমাদেরকে বলেন বাড্ডা এবং ভাটারার মানুষের সুস্বাস্থ্যের কথা চিন্তা করে ইতিমধ্যে ‘হেলথ কার্ড’ চালু করা হয়েছে, যার মাধ্যমে বিনামূল্যে চিকিৎসা সেবা দেওয়া হচ্ছে। সুখবর হলো, খুব শীঘ্রই এই সেবা রামপুরা এলাকাতেও চালু হতে যাচ্ছে।তিনি বলেন নিরাপত্তাই আমাদের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার। প্রতিটি আবাসিক এলাকাকে ‘সোসাইটি’র আওতাভুক্ত করে সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপন, গেট নির্মাণ এবং নাইট গার্ডের ব্যবস্থা করা হবে। মধ্য বাড্ডার কিছু পাড়ায় আমরা ইতোমধ্যেই এই কার্যক্রম সফলভাবে শুরু করেছি।

    হলফনামার সম্পদের বিবরণ

    নির্বাচন কমিশনে দাখিল করা হলফনামা বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, এম এ কাইয়ুমের  ৫৭টি মামলা দায়ের হয়। তবে ২০২৪ সালের পর সবগুলো মামলা থেকেই তিনি আদালতের মাধ্যমে অব্যাহতি বা খালাস পেয়েছেন।

    নির্বাচন কমিশনের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত হলফনামায় এম এ কাইয়ুম জানিয়েছেন, তার ব্যবসা থেকে বছরে আয় হয় ৮লক্ষ ৭৯ হাজার ৮৪০ টাকা। তার স্ত্রীরি ব্যাবসা থেকে বার্ষিক আয় ২ লক্ষ ৫৮ হাজার  ৪৯৬ টাকা।

    হলফনামায় আরও উল্লেখ করা হয়, বর্তমানে তার হাতে নগদ ১০ লক্ষ ৬৪ হাজার ৫৮৩ টাকা ও তার স্ত্রীর নামে আছে ১৭ লক্ষ ৮৬ হাজিার ৯৪ টাকা এবং  তার নির্ভরশীলদের কাছে নগদ আছে  ২৪ লক্ষ ৫৩ হজার ৬৪৯ টাকা।ব্যাংকে এম এ কাইয়ুমের নিজের নামে  আছে ৬৮ লক্ষ ৫৪ হাজার ৩১৩ টাকা  তার স্ত্রীরর কাছে আছে ৩৭ লক্ষ ৩১ হাজার ৪১৫ ও নির্ভরশীলদের ব্যাংকে আছে  ১৪ লক্ষ ৭৭ হাজার ১৬১ । এম এ কাইয়মের নিজের নামে বন্ড ও শেয়ার আছে ৮ কোটি ৪ লক্ষ ৫০ হাজার টাকার এবং তার স্ত্রীর নামে বন্ড ও শেয়ার আছে ৭ লক্ষ টাকার তাছাড়া তার উপর নির্ভরশীলদের কাছে আছে ১ কোটি ২০ লক্ষ টাকার। এম এ কাইয়মের নিজের নামে আছে ৮ লক্ষ ৪৭ হাজার ৬২ টাকার  একটি গাড়ি আছে এবং তা স্ত্রীর নামে আছে ৪২ লক্ষ টাকার। উত্তরাধিকার সুত্রে প্রাপ্ত তার নিজের সম্পত্তি ও বিদেশী রেমিট্যান্স ২ কোটি ৮১ লক্ষ ২২ হাজার ৫৪০ টাকা এবং তার উপর নির্ভরশীলদের কাছে আছে ৬১ লক্ষ টাকা।তার নিজের নামে অকৃষিজমি ও অর্জনকালীন জমির আর্থিক মূল্য  কোটি ৩০ লক্ষ ৮ হাজার ২০০ টাকা।  

    এম এ কাইয়ুম (১০ একর,বাড্ডা পূর্নবাসন এলাকা রোড় নং-৫,বাড়ি–নং-৯/১১) বাড়ি বিক্রয়ের বিপরীতে অগ্রিম গ্রহন করেছেন ৩ কোটি ৭০ লক্ষ টাকা । এম এ কাইয়ুম হলফ নামায় জানিয়েছেন তার কাছে লাইসেন্সকৃত আগ্নেয়অস্ত্র আছে যার মূল্য ৩ লক্ষ টাকা।

    এদিকে ঢাকা-১১ আসনে ড. এম এ কাইয়ুমের  প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন এনসিপির  প্রার্থী  মো. নাহিদ ইসলামে।

    আরও খবর

    Sponsered content

    বিজ্ঞাপন
    সর্বশেষ সংবাদ
    1:04 PM ঢাকা-১১ আসনে বিএনপি প্রার্থী এম এ কাইয়ুম 11:15 AM প্রায় ১ লাখ ৪০ হাজার প্রবাসীর পোস্টাল ব্যালট দেশে এসেছে 11:01 AM তারেক রহমান আজ যাচ্ছেন টাঙ্গাইল ও সিরাজগঞ্জে 10:38 AM নওগাঁয় ডাম্প ট্রাকের চাপায় ৫ জন নিহত 10:20 AM দিল্লিতে শেখ হাসিনার সঙ্গে যুক্তরাজ্য আওয়ামী লীগের নেতাদের সাক্ষাৎ 8:27 PM রংপুরে আবু সাঈদের কবর জিয়ারত শেষে, জনসভা মঞ্চে তারেক রহমান 7:10 PM সেনাবাহিনীর যৌথ অভিযানে সারাদেশে আটক ৫০৪ 7:02 PM ভোট দিয়ে প্রমাণ করুন বগুড়ার মাটি-বিএনপির ঘাঁটি: তারেক রহমান 6:53 PM ৫ কোটি ৫০ লাখ ডলার কিনল বাংলাদেশ ব্যাংক 6:46 PM জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার-২০২৩: শ্রেষ্ঠ অভিনেতা-অভিনেত্রী নিশো ও পুতুল